ঢাকামঙ্গলবার , ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্বনির্ভর বাংলাদেশের রূপকার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান

রোটা: জাহাঙ্গীর আলম হৃদয়
সেপ্টেম্বর ২, ২০২৫ ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ

জীবন বাংলাদেশ আমার ,মরন বাংলাদেশ
বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ।
আমার আঙ্গিনায় ছড়ানো বিছানো
সোনা সোনা ধুলি কনা ,
মাটির মমতায় ঘাস ফসলের সবুজের আলপনা।

এই গানের প্রতিটি লাইনেই দেশের মা, মাটি ও মানুষের কথা ফুটে উঠেছে , এই গানটির গীতিকার, সুরকার এবং শিল্পী সকলের আন্তরিকতার অভাব নেই । নিজেদের মধ্যে তারা দেশকে খুঁজে পেয়েছেন বলেই এমন গান রচনা করেছেন।

প্রথম বাংলাদেশ এই গানটি পছন্দ করতেন বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের নয়ন মনি জনতার নেতা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট , বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়াউর রহমান বীর উত্তম।

তিনি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছেন, আর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি জেলায় তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন। মানুষের কাছে গিয়েছেন, মানুষের কথা শুনেছেন, মানুষের দুঃখ কষ্টগুলো লাঘব করার চেষ্টা করেছেন।

১৯৭১ সালে তিনি চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে নিজে স্বয়ং যুদ্ধের ময়দানে ছিলেন।

নিজের জীবন বাজি রেখে তিনি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কাজ করেছেন। দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে।

বাংলাদেশকে স্বনির্ভর দেশ হিসাবে গড়তে খাল খনন ,কৃষি ফসলের মাঠ, জেলে, তাঁতি, কামার, কুমার সকল পেশায় কর্মরত মানুষের পাশে, মানুষের কল্যাণে ছুটে গেছেন।

তিনি বলেছিলেন ঢাকা শহরে বসে না থেকে দায়িত্বশীল সবাইকে প্রতিটি জেলায় নিজ নিজ এলাকায় যেতে হবে, মানুষের কথা শুনতে হবে, মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।

যার যে অভিজ্ঞতা আছে সে অনুযায়ী দেশের উন্নয়নে অগ্রগতিতে তাদের কাজে লাগাতে হবে। নিজেকে আত্মনির্ভরশীল হতে হবে। অন্যের মুখাপেক্ষী হতে যেনো না হয়।। বাংলাদেশ স্বনির্ভর হলে সকলেই লাভবান হবে। আর তার জন্য সবাইকে সততার সঙ্গে স্বচ্ছতার সঙ্গে কঠোরভাবে কাজ করতে হবে।

বাংলাদেশের সংবিধানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রথম বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন।
তিনি যার যে অবদান সেই অবদানের স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে তিনি গঠন করেছিলেন সার্ক। এক দেশের সাথে অন্য দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি পায়।
কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার স্বার্থেও তিনি কাজ করেছেন।
সম্প্রীতিময় রাজনীতি, সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ গড়ে তোলার অগ্রণী ভূমিকা তিনি রেখেছিলেন।
বাংলাদেশের সকল ধর্মের মানুষ, একে অন্যের সঙ্গে আন্তরিকতার সাথে চলবে এবং সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে দেশের কল্যানে কাজ করার যে মানসিকতা সেটি তিনি গড়ে তুলেছিলেন।

বাংলাদেশের ১১ জন সেক্টর কমান্ডার দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে কাজ করেছিলেন তাদের সঙ্গে লাখো লাখো মুক্তিযোদ্ধারা ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম তাদের মধ্যে অন্যতম সেক্টর কমান্ডার।

শুধু বাংলাদেশে নয় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের দায়িত্ব থাকা অবস্থায় বিশ্বের সকল দেশে জনশক্তি রপ্তানির দুয়ার উন্মোচন করেছেন। তিনি দেশকে স্বনির্ভর দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করেছেন।
সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বিভিন্ন দেশ সফর করেছিলেন।

প্রবাসের মাটিতে বাংলাদেশের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয়। যার নাম বহী বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে পাট জাত রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রার যে অর্জন সেটিও তিনি তার আমলে করেছিলেন।
পাটকে বাংলাদেশের সোনালী আঁশ বলা হয়।

পাখির গান, নদীর ঢেউ, ফুলের গন্ধ, ফসলের মাঠ, সবুজ প্রকৃতিসহ সকল কিছুর মধ্যেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে খুঁজে পাওয়া যায়।
কোথায় নেই তিনি, আছেন সকল জায়গায়। ইসলাম ধর্ম সহ সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে সমপ্রীতির সেতুবন্ধন সৃষ্টি করেছিলেন। কেউ যেন কাউকে কটাক্ষ করে কথা না বলে সে বিষয়েও তিনি অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের রাষ্ট্রনায়ক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের নয়ন মনি ছিলেন, সংসদ থেকে শুরু করে,
সকল স্থানে তিনি সফল একজন মানুষ ছিলেন।

কৃষি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি ইউনিয়নে খাল খননের যে উদ্যোগ তিনি নিয়েছিলেন তার সফলতা পেয়েছেন সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। তিনি কৃষি উৎপাদন স্বনির্ভর দেশ হিসেবে বিশ্বের মাঝে বাংলাদেশকে পরিচিত করার জন্য কাজ করেছেন।

গোলাভরা ধান, পুকুর ভরা মাছ, মাছে ভাতে বাঙালি এই শব্দটুকু খুঁজে পেয়েছে বাংলাদেশের মানুষ।
৫৪ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশে কোথায় নেই তিনি ,সকল জায়গায় রয়েছে ওনার অবদান।

রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে সফল মানুষের গল্প থাকলেও সকল সময়ে তা তুলে ধরা যায় না।
মুক্ত চিন্তার মানুষ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সকল কিছুতে খুঁজে পাওয়া যায় তাকে তার কর্মের মাধ্যমে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের নতুন কুড়ি সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও ভূমিকা রেখেছেন তিনি।

বাংলাদেশের জন্য যার যতটা অবদান তাকে সে হিসাবেই সম্মান করা প্রয়োজন প্রতিটি মানুষের।

সম্মানী ব্যক্তি কে সম্মান দিলে নিজেই সম্মানিত হওয়া যায়। উনার জীবনে সম্মানী ব্যক্তিকে সম্মান দিয়েছেন।তিনি সবাইকে সম্মান দিয়েছেন দেশের উন্নয়ন অগ্রগতিতে যারাই ভূমিকা রেখেছেন।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে রাতের অন্ধকারে একদল বিপদগামী হায়নার দল চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে গুলি করে হত্যা করে ।
তারা ভেবেছিল জিয়াউর রহমানকে হত্যা করলেই থেমে যাবে সব। তারা ভাবেনি
টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া, রূপসা থেকে পাথুরিয়া আজও সবাই বলে শহীদ জিয়া।

কৃত্তি মানের মৃত্যু নেই। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছেন, বেঁচে থাকবেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নেই। রয়েছে তার হাতে গড়া দল

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।