বিশ্বকাপের মঞ্চে আরেকটি স্বপ্নভঙ্গ। নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল।
তবে ম্যাচের ফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার Neymar-এর আবেগঘন বিদায়। ম্যাচ শেষে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি তিনি। তার বিদায়ের ইঙ্গিত যেন কোটি ব্রাজিলিয়ান সমর্থকের হৃদয়েও গভীর ক্ষত তৈরি করেছে।
ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও ব্রাজিল সুযোগগুলো কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়। প্রথমার্ধে একটি পেনাল্টিও নষ্ট করে সেলেসাওরা। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নেমে নেইমার আক্রমণে গতি আনলেও শেষ পর্যন্ত নরওয়ের হয়ে জোড়া গোল করেন Erling Haaland। যোগ করা সময়ে নেইমার পেনাল্টি থেকে একটি গোল শোধ করলেও তা পরাজয় এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না।
শেষ বাঁশি বাজতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন নেইমার। ম্যাচ-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় তিনি ইঙ্গিত দেন, এটাই হয়তো ছিল ব্রাজিলের জার্সিতে তার শেষ ম্যাচ। তার কথায়, “আমি চেষ্টা করেছি… এখন সব শেষ। এখানেই শুরু করেছিলাম, এখানেই শেষ করলাম।
নেইমারের এই আবেগঘন মুহূর্ত ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ফেসবুক, এক্স ও ইনস্টাগ্রামে লাখো ভক্ত তার ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে আবেগঘন বার্তা লিখেছেন। অনেকেই লিখেছেন, “একটি যুগের অবসান”, আবার কেউ বলেছেন, “ফল যাই হোক, নেইমার চিরকাল আমাদের কিংবদন্তি।”
এই পরাজয়ের মাধ্যমে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জয়ের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হলো। অন্যদিকে, নেইমারের সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক বিদায় ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে একটি সোনালি অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের কাছে তার নাম স্মরণীয় হয়ে থাকবে অসাধারণ দক্ষতা, সৃজনশীলতা এবং ব্রাজিলের জার্সির প্রতি অগাধ ভালোবাসার জন্য।
