জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় এ কার্যক্রমটি পরিচালনা করত। ডিলার নিয়োগ জটিলতায় চলতি মাসের ১ জুলাই থেকে কার্যক্রমটি বন্ধ রয়েছে। এ কার্যক্রমটি বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন চাঁদপুরের খেটেখাওয়া মানুষ। তারা অতি দ্রুত কার্যক্রমটি চালু করার দাবি জানান।
দিনমজুর রহিম হাওলাদার, জব্বার মাস্টার, আসিয়া বেগমসহ কয়েকজন জানান, বাজার থেকে চাল কেনার সামর্থ্য নেই। কম দামে ডিলারের থেকে চাল ও আটা কিনে নেই। আজকে কত দিন তা বন্ধ। ২ বেলা ভাত ও ১ বেলা রুটি খাই। এর মধ্যে ডায়াবেটিস। সংসার চালাতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। সরকার যেন অতি দ্রুত ওএমএস কার্যক্রম চালু করে আমাদের বাঁচান।
চাঁদপুর জেলা খাদ্য কর্মকর্তা শংকর অধিকারী জানান, কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩০ জুনের পর পূর্বের ডিলাররা আর ওএমএস পণ্য দিতে পারবেন না। সেই মোতাবেক ১ জুলাই থেকে ওএমএস কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সাধারণ জনগণের একটু কষ্ট হচ্ছে, তা আমরা বুঝতে পারছি। শিগগিরই কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসকসহ কমিটির সবার সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরবর্তী কার্যক্রম চালু হবে। তবে কয়েকটি জায়গায় আদালতের নির্দেশনার কারণে সীমিত আকারে চালু আছে।
