চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি হিসেবে মো. সোহেল রানাকে দেখতে চান স্থানীয় ওয়ার্ডবাসী ও তাঁর সমর্থকরা। দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা,তৃণমূলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে মামলা ও হামলার শিকার হওয়ার বিষয়টি সামনে এনে তাঁকে নেতৃত্বে আনার প্রত্যাশা জানাচ্ছেন তাঁর অনুসারীরা।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, মো. সোহেল রানাকে ১০ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হলে তিনি সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করতে ভূমিকা রাখবেন। পাশাপাশি দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তাঁরা।
সোহেল রানার সমর্থকদের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মুখে তাঁকে মামলা ও হামলার শিকার হতে হয়েছে। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী,প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি রাজনৈতিক অঙ্গনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এ কারণে তৃণমূল পর্যায়ে তাঁকে সাংগঠনিক দায়িত্বে দেখতে চান তাঁর অনুসারীরা।
সমর্থকদের মতে, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রতিকূল পরিস্থিতির অভিজ্ঞতা থাকা নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হলে সংগঠনের তৃণমূল আরও শক্তিশালী হবে।
স্থানীয়দের মতে, একটি রাজনৈতিক সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হলে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতামত,অংশগ্রহণ ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে ওয়ার্ড পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করা, নতুন কর্মী তৈরি, তরুণদের সম্পৃক্ত করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ।
তাঁরা মনে করেন,১০ নং ওয়ার্ড যুবদলের নেতৃত্বে যিনি দায়িত্ব পাবেন,তাঁর কাছে সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রাখা,নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো এবং দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা থাকবে। এ বিবেচনায় মো. সোহেল রানাকে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি দলীয় নেতৃত্বের কাছে বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন তাঁর সমর্থকরা।
১০ নং ওয়ার্ড যুবদলের নেতৃত্ব নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা চললেও সভাপতি পদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয় সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে। এ ক্ষেত্রে তৃণমূলের মতামত, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা গুরুত্ব পাবে বলে প্রত্যাশা করছেন সোহেল রানার সমর্থকরা।
তাঁদের প্রত্যাশা,দলীয় নেতৃত্ব স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেবে,যাতে ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হয় এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য ও সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি হয়।
