আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে শাহরাস্তিতে ১৫০ দিনে কোরআন মুখস্ত করে হাফেজ হয়ে ফাহিম (১৫) এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
বৃহস্পতিবার শাহরাস্তি উপজেলার চিতোষী পশ্চিম ইউপির খেড়িহর পূর্বপাড়া মোহাম্মাদিয়া কমপ্লেক্সের নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শাহরাস্তি উপজেলার চিতোষী পূর্ব ইউপির শ্বেতীনারায়নপুর মোল্লা বাড়ির কলিমুল্লাহ ও ফাতেমা বেগম দম্পতির কনিষ্ট পুত্র ফাহিমকে এ মাদ্রাসায় কোরআনে হাফেজ হওয়ার জন্য তার পরিবার ভর্তি করিয়ে দেয়। ওই থেকে ফাহিম মাদ্রাসায় তার কোরআন মুখস্তর ক্ষেত্রে মেধার চমক দেখাতে শুরু করে। একপর্যায়ে সে ১৫০ দিনে আল্লাহ পাকের প্রেরিত ৩০ পারার এ আসমানি কিতাবটি (কোরআন শরীফ) মুখস্ত করে ফেলে।
এই বিষয়টি তার হেফজখানার গণ্ডি পেরিয়ে সমগ্র এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এ প্রসঙ্গে তার ওস্তাদ হাফেজ মোঃ কামাল হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, ফাহিম বর্তমানে ওই ইউনিয়নের দশনাপাড়া আলিয়া মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত।
এরই মধ্যে তার পরিবার হাফেজ হতে তাকে ভর্তি করিয়ে দেয় এ প্রতিষ্ঠানে ।
গত পাঁচ মাস পূর্বে ফাহিম এ হেফজখানায় ভর্তি হয়ে পবিত্র কোরআন পাকের এক পারা (২০ পৃষ্ঠা) ৪-৫ দিনে মুখস্ত করে ফেলে । এরপর ক্রমে মেধার প্রখরতা ও মুখস্ত বিদ্যার তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পেতে থাকে । একপর্যায়ে ফাহিম একদিনে কোরআন শরীফের দশ পৃষ্ঠা ( অর্ধপারা) মুখস্ত করে ফেলে,যার ফলে ১৫০ দিনের মাথায় ফাহিম কোরআনে হাফেজ বনে যায়।
তিনি আরো জানান, সাধারণত কোরআনে হাফেজ হতে শিক্ষার্থীদের দুই থেকে তিন বৎসর সময় লাগে। এক্ষেত্রে হাফেজ ফাহিম আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে খুব কম সময়ের মধ্যে তার মেধার প্রখরতা দেখিয়ে অসাধ্য কাজটি করে মেধার স্বাক্ষর রেখেছে,যা অত্র এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী ফাহিমের এ বিরল কৃতিত্বের জন্য গর্ববোধ করছে।
উল্লেখ্য, এ ৩০ পারার আসমানী কিতাবটি পৃথিবীতে নাজিল হতে (৬১০খৃঃ) মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ) নিকট পৌঁছাতে ২৩ বছর সময় লেগেছিল।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
