কচুয়া উপজেলার সরাইলকান্দি কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়মিত সেবা পাচ্ছেন নিম্নআয়ের মানুষসহ এলাকার সাধারণ জনগণ। স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি এখানে দেওয়া হচ্ছে সচেতনতা বৃদ্ধি, পরামর্শ ও প্রাথমিক চিকিৎসা।
ক্লিনিকে গর্ভবতী মায়েদের ওজন, রক্তচাপ, রক্তে শর্করার মাত্রা পরিমাপসহ পুষ্টি বিষয়ক কাউন্সেলিং করা হয়। শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত স্বাস্থ্য শিক্ষা দেওয়া হয়। এছাড়া হাইপারটেনশন ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রোগীদের খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক ব্যায়াম ও নিয়মিত পরীক্ষার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
প্রতি মাসে কিশোর-কিশোরীদের জন্য বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য বিষয়ে বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। একইসঙ্গে পরিবার পরিকল্পনা সেবা, শিশুর পুষ্টি, প্রাথমিক চিকিৎসা, ঔষধ বিতরণ এবং রোগ শনাক্ত করে উচ্চতর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে রেফারের কাজও করা হয়।
তবে ক্লিনিক ভবনের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ায় ভবনটি কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সংস্কার ও নিচতলায় মাটি ভরাটের প্রয়োজনীয়তার কথা জানান স্থানীয়রা।
দায়িত্বে থাকা হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার বাধন বসু বলেন,“আমি চেষ্টা করছি প্রতিনিয়ত রোগীদের সেবা দিতে। গর্ভবতী মা থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষ এখানে আসেন। তবে ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থা দূর করা গেলে আরও নিরাপদ পরিবেশে সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।”
এদিকে, দীর্ঘ ১৫ মাস ধরে চাকরি স্থানান্তরজনিত জটিলতায় বেতনবিহীন থেকেও সিএইচসিপি দায়িত্বে থেকে নিরলস সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। রোগীরা জানান, সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত তিনি নিয়মিত উপস্থিত থাকেন এবং বিনামূল্যে পরামর্শসহ সেবা প্রদান করেন।
সরাইলকান্দি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থানীয় জনগণের কাছে এখন আস্থার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিণত হলেও দ্রুত সংস্কার না হলে সেবা কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
