ফরিদগঞ্জে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে আটকের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ সুপার।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সকালে পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে অভিযুক্ত জাকির হোসেনকে আটক করতে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছি। তার সঙ্গে ঘটনার সময় উপস্থিত পুলিশের কোনো গাফেলতি রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
এর আগে, গত রোববার দুপুরে ফরিদগঞ্জের ভুলাচোঁ গ্রামে নির্যাতনের শিকার এক গৃহবধূ স্বামীর বাড়িতে বিচার চাইতে গিয়ে তার ভাইসহ হেনস্তার অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় গৃহবধূ তাহমিনা বেগমের স্বামী মানিক হোসেনের বড় ভাই জাকির হোসেন ওই গৃহবধূর ভাসুর জাকির হোসেনসহ আরও কয়েকজনকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এতে আহত হন তারা।
তবে এই ঘটনার সময় উপস্থিত পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক সঞ্জয় কুমার ও তার সঙ্গে থাকা আরেক পুলিশ কনস্টেবল হামলাকারীকে আটক করতে ব্যর্থ হন বলে ভুক্তভোগী তাহমিনা বেগম অভিযোগ করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মূলত ওই পুলিশ সদস্যরা একই এলাকায় অন্য একটি ঘটনায় অভিযুক্ত পলাতক আসামির বাড়ির মালামাল ক্রোক করার জন্য আদালতের নোটিশ নিয়ে যান। কিন্তু পথে গৃহবধূ তাহমিনা বেগম ও তার ভাই জাকির হোসেনের ওপর হামলার দৃশ্য দেখে সেখানে তারা উপস্থিত হয়ে দুপক্ষকে নিবৃত করার চেষ্টা করেন।
কিন্তু তারপরও পুলিশের উপস্থিতিতে অভিযুক্ত হামলাকারী জাকির হোসেনের তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিবের নজরে পড়েছে। তাই ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তকে আটকের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ সুপার।
এদিকে, ভুক্তভোগী ওই নারী গতকাল চাঁদপুরের আদালতে তার স্বামী মানিক হোসেন ও ভাশুর জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
