চাঁদপুরে এক কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় এক যুবককে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুল হান্নান আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) শিরিন সুলতানা মুক্তা।
দণ্ড পাওয়া বিশ্বনাথ চন্দ্র দাস (৩৪) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দড়িয়া দৌলত মুল্লক গ্রামের বাসিন্দা।
অপহরণ ও ধর্ষণের শিকার কলেজ ছাত্রী কচুয়া উপজেলার বাসিন্দা। ঘটনার সময় তিনি পার্শ্ববর্তী মতলব দক্ষিণ উপজেলার একটি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী ছিলেন।
মামলার বরাতে পিপি শিরিন সুলতানা বলেন, ২০১৩ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ওই ছাত্রী কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে আসামি ও তার সহযোগীরা তাকে অপহরণ করে নিয়ে যান। পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজে না পেয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর মতলব দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
“পরে ৯ অক্টোবর ওই ছাত্রী তার চাচার কাছে ফোন করে বলেন, বাড়িতে ফেরার পথে বিশ্বনাথ চন্দ্র দাস তার সহযোগীদের নিয়ে তাকে অপহরণ করে তার বাড়িতে নিয়ে আটকে রেখেছে।”
পরে ওই ছাত্রীর চাচা মতলব দক্ষিণ থানায় মামলা করেন বলে জানান পিপি শিরিন সুলতানা।
তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২৬ নভেম্বর মতলব দক্ষিণ থানার তৎকালীন এসআই মো. জামাল উদ্দিন আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করেন বলে জানান তিনি।
শিরিন সুলতানা বলেন, প্রায় ১২ বছর মামলাটি চলমান অবস্থায় চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত।
সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী।
মামলায় সরকারপক্ষে ছিলেন এপিপি আবদুল কাদের খান। আর আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. কামাল হোসেন।
