সাধারণত খাবারের স্বাদ বাড়ানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় লেবু। আবার অনেকে এটির আচার তৈরি করেও খেয়ে থাকেন। লেবু আকারে ছোট ফল হলেও এর উপকারিতা প্রচুর আর পুষ্টিগুণেও ভরপুর। দেশের বাজারে লেবু চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেলে দাম থাকে ক্রেতাদের নাগালের বাহিরে।
তীব্র গরমে লেবুর শরবত স্বস্তি ফিরায় শ্রমজীবী মানুষের। এ সময় লেবুর দাম বৃদ্ধির কথা থাকলেও পিস বা হালি হিসেবে নয়। এবার চাঁদপুরে লেবু বিক্রয় করা হচ্ছে কেজি দরে।
শুক্রবার দুপুরে জেলার সদর উপজেলার কাঁচা বাজার, হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ ও শাহরাস্তি ঘুরে দেখা যায় কেজি দরে লেবু বিক্রয়ের এ দৃশ্য।
গেলো বছরের এ সময় জেলার কাঁচা বাজার গুলোতে লেবুর হালি ৫০-৬০ টাকা থাকলেও এবছর দেখা যায় ভিন্ন। এবার হালি নয় কেজি দরে বিক্রয় হচ্ছে লেবু। প্রতি কেজি লেবু বিক্রয় করা হচ্ছে ২৫ টাকা থেকে শুরু করে ৩০ টাকা পর্যন্ত।
ক্রেতা রিপন শেখ বলেন, অন্যান্য বছর এ সময় লেবুর দাম থাকে আকাশচুম্বী। এবছর তিব্র গরমের মধ্যেও দেখা যায় লেবুর দাম জনগণের নাগালের মধ্যে।
আরেক ক্রেতা নারগিস আক্তার বলেন, গরমের মধ্যে লেবুর শরবত শরীরের ক্লান্তি দুর করে। লেবু কিনতে এসে হালি কত জানতে চাইলে বলছেন কেজি ৩০ টাকা। অনেকটা অভাক হলাম যে লেবুও কেজি দরে বিক্রয় হয়! এই প্রথম কেজি দরে লেবু কিনলাম।
বিক্রেতা জাকির হোসেন (মনা) বলেন, আমরা কেজি দরে লেবু কিনেছি তাই কেজিতেই বিক্রয় করছি। আমরা আড়ৎ থেকে ১৮-২০ টাকা করে কিনেছি৷ আর বিক্রয় করছি ২৫-৩০ টাকা করে।
আরেক বিক্রেতা আলমগীর হোসেন বলেন, ক্রেতাদের চাহিদার উপর দাম উঠানামা করে। এ বছর লেবুর বাপ্পার ফলন হয়েছে। আমরা কেজি দরে কিনেছি তাই কেজি দরে বিক্রয় করছি।
