রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মতলব উত্তর থানার পূর্ব পাশে সুরুজ প্লাজার সামনে পাকা সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ফারিয়া একই উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের বেপারী বাড়ির কাউসার বেপারীর মেয়ে।
এ সময় বেপরোয়া গতিতে আসা একটি ট্রলির ধাক্কায় গুরুতর আহত হয় শিশুটি। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শিশুর মা ফারজানা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার মেয়ে ফারিয়া আমার হাত ধরে সড়কের পাশ দিয়ে হাঁটছিল। হঠাৎ বেপরোয়া গতিতে আসা ট্রলির ধাক্কায় মেয়ের মৃত্যু হয়।
বেপরোয়া গাড়ি যারা চালান, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আর কোনো মায়ের বুক যেন এভাবে খালি না হয়।’
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, মতলব উত্তরের বিভিন্ন সড়কে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ট্রলি ও টমটম অবাধে চলাচল করছে। অনেক সময় এসব যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করায় পথচারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। শিশু ফারিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা অবৈধ ট্রলি চলাচল বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ট্রলিটি জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার পর পরই চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে তাকে শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
