কুমিল্লা রোডের অলঙ্কার শিল্পালয়ের স্বর্ণ ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান জানান, এক বছর আগে শহরের নতুন বাজার পাটোয়ারী বাড়ির এক ব্যক্তি জোড়পুকুর পাড়ে দোকান থাকা অবস্থায় পিন্টু দাসের কাছে প্রায় সাড়ে সাত লাখ টাকার স্বর্ণ বিক্রির জন্য দেন। পরে তিনি সেই টাকা দিতে টালবাহানা করেন। এরপর স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা বসে পিন্টু দাসের স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ছয় লাখ টাকা দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন। ২০ আগস্ট সেই টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই ১৯ আগস্ট তিনি পরিবারসহ পালিয়ে যান বলে অভিযোগ উঠে।

রঘুনাথপুরের বাসিন্দা রাসেল খান অভিযোগ করেন, তিনি পিন্টু দাসের কাছে আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার ৫০ হাজার টাকায় বন্ধক রেখেছিলেন। পরে টাকা ফেরত দিয়ে স্বর্ণালংকার নিতে গেলে পিন্টু দাস তাকে পরের দিন আসতে বলেন। এরপর পরিবারসহ পিন্টু দাসের নিখোঁজ হওয়ার খবর পান তিনি। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছেন বলেও দাবি করেন রাসেল।

এ ছাড়া, দক্ষিণ গুণরাজদীর বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম ১২ আনা এবং শুভঙ্কর মজুমদার ১০ আনা স্বর্ণ পিন্টু দাসের কাছে বন্ধক রেখেছিলেন বলে দাবি করেন।