ঢাকামঙ্গলবার , ২৫ আগস্ট ২০২৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হাজীগঞ্জের বাকিলা ইউনিয়নকে আধুনিক ও জনবান্ধব মডেল ইউনিয়নে গড়ার প্রত্যয় চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল মতিন স্বপনের

Chandpur Tribune
আগস্ট ২৫, ২০২৬ ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ২ নম্বর বাকিলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আবদুল মতিন স্বপন ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও নাগরিকসেবা নিশ্চিত করতে ব্যাপক পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। তার নির্বাচনী প্রচারপত্রে আধুনিক,পরিচ্ছন্ন,দুর্নীতিমুক্ত, জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক বাকিলা ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

আবদুল মতিন স্বপন বলেন,“একটি ইউনিয়নের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব,যখন জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং প্রতিটি কাজ স্বচ্ছতা,সততা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে করা হয়। ভোটাররা আমাকে নির্বাচিত করার সুযোগ দিলে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাকিলা ইউনিয়নকে একটি পরিকল্পিত, আধুনিক ও জনকল্যাণমুখী ইউনিয়নে রূপান্তরে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করব।”

তিনি বলেন,ইউনিয়ন পরিষদের সেবাগুলো মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নাগরিকদের হয়রানি কমানো হবে। ট্রেড লাইসেন্স,জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ও নাগরিক সনদসহ প্রয়োজনীয় সেবা অনলাইনের মাধ্যমে সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তার পরিকল্পনায় ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় রাস্তা ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন,রাস্তা-ঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খননের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

আবদুল মতিন স্বপন আরও বলেন,“বাকিলা ইউনিয়নের উন্নয়ন কোনো একটি এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ৯টি ওয়ার্ডের মানুষের প্রয়োজন ও সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। জনগণের করের টাকা ও সরকারি বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।”

তার পরিকল্পনায় মসজিদ, মাদ্রাসা ও মন্দিরসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন,মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও মন্দিরের পুরোহিতদের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা এবং ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া হতদরিদ্র পরিবারের সদস্যদের জন্য বাসস্থান,চিকিৎসা ও শিক্ষায় আর্থিক সহযোগিতা,বিধবা,প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা এবং ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “শুধু আইন প্রয়োগ করে মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ সম্ভব নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সচেতন মানুষকে সঙ্গে নিয়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। একটি নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করব।”

তিনি আরও জানান,ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আধুনিক স্মার্ট এলইডি স্ট্রিট লাইট স্থাপন, রাস্তা ও জনসাধারণের চলাচলের সুবিধা বৃদ্ধি এবং নারী ও বয়স্কদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আবদুল মতিন স্বপন বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো প্রতিশ্রুতির রাজনীতি করতে চাই না; বাস্তবসম্মত পরিকল্পনার মাধ্যমে বাকিলা ইউনিয়নের মানুষের পাশে থাকতে চাই। জনগণ আমাকে দায়িত্ব দিলে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়ে কাজ করব। ইউনিয়ন পরিষদ হবে সাধারণ মানুষের আস্থা ও সেবার কেন্দ্র।”

তিনি আরও বলেন,“আমার কাছে চেয়ারম্যান পদ কোনো ক্ষমতার বিষয় নয়, এটি জনগণের সেবা করার দায়িত্ব। ভোটারদের ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।”

প্রচারপত্রে তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, “আপনার ভোট, আপনার অধিকার। সচেতন নাগরিক ও ভোটার হিসেবে আপনার মূল্যবান ভোটের মাধ্যমে একজন সৎ, যোগ্য, দেশপ্রেমিক ও জনবান্ধব ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করুন।”

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে আবদুল মতিন স্বপনের এ উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বক্তব্যকে ঘিরে বাকিলা ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এখন ভোটাররা প্রার্থীদের পরিকল্পনা, যোগ্যতা ও জনসম্পৃক্ততা বিবেচনা করে তাদের পছন্দের প্রার্থী বেছে নেবেন—এমন প্রত্যাশাই করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।