চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার রাজনীতিতে ছাত্রদলের পরিচিত মুখ মো. ফয়সাল খন্দকার। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এই ছাত্রনেতা বিভিন্ন সময় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন বলে দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে প্রথমবার গ্রেফতার হন ফয়সাল খন্দকার। এরপর থেকে বিভিন্ন সময়ে একাধিক রাজনৈতিক মামলার আসামি হয়ে গ্রেফতারসহ নানা ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন বলে তার সহকর্মীরা জানান।
২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় তিনি আহত হন বলে দাবি করা হয়। এছাড়া ২৪ মার্চ ২০২৪ মতলব দক্ষিণ থানার তৎকালীন ওসি রিপন বালার নেতৃত্বে তাকে আটক করে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় ১৪ জুলাই ছাত্রলীগের স্থানীয় সভাপতির নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলায় ফয়সাল খন্দকার গুরুতর আহত হন এবং তার পাঁজরের হাড় ভেঙে যায় বলে দাবি করা হয়। ওই ঘটনার পরও তিনি আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন বলে সহকর্মীরা উল্লেখ করেন।
স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিনের আন্দোলন, মামলা, কারাবরণ ও নির্যাতনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ফয়সাল খন্দকার নিজেকে একজন পরীক্ষিত রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাদের ভাষায়, “ফয়সাল খন্দকার একদিনে তৈরি হননি; রাজপথে রক্ত-ঘাম ঝরিয়ে তিলে তিলে নিজেকে গড়ে তুলেছেন।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের একাংশের দাবি, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ধারাবাহিক ভূমিকা এবং জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের রাজনীতিতে ফয়সাল খন্দকার একটি সুপরিচিত ও পরীক্ষিত নাম। তারা মনে করেন, ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে তার অভিজ্ঞতা ও ত্যাগ যথাযথ মূল্যায়ন করা উচিত।
