চাঁদপুরে ইপিজেড (রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল) স্থাপনে সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। এ খবরে চাঁদপুরবাসীর মাঝে আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে। একইসঙ্গে জেলার গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা হাজীগঞ্জে ইপিজেড স্থাপনের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়দের মতে, চাঁদপুর জেলার মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত হাজীগঞ্জকে জেলার প্রাণকেন্দ্র ও বাণিজ্যিক রাজধানী বলা হয়। মতলব দক্ষিণ ও হাইমচর ছাড়া জেলার অধিকাংশ উপজেলার সঙ্গে হাজীগঞ্জের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে।
এছাড়াও কুমিল্লা, ফেনি, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার সঙ্গে হাজীগঞ্জের চতুর্মুখী সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
এলাকাবাসী জানান, ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকেও হাজীগঞ্জে যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ ও সময় সাশ্রয়ী। সড়ক পথের পাশাপাশি রেল ও নদীপথেও হাজীগঞ্জের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শক্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে শিল্পায়ন ও রপ্তানিমুখী অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য হাজীগঞ্জ একটি উপযুক্ত স্থান হতে পারে।
তাদের দাবি, শুধু চাঁদপুর জেলার ভৌগোলিক সুবিধাই নয়, বরং বৃহত্তর আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার দিক বিবেচনায় হাজীগঞ্জে সম্ভাব্য ইপিজেড স্থাপন করা হলে এটি দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, শিল্প মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় কমিশনার, চাঁদপুর জেলা প্রশাসন এবং চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্যের প্রতি হাজীগঞ্জে ইপিজেড স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
তাদের ভাষ্য, আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ব্যবসায়িক সম্ভাবনার বাস্তবতায় চাঁদপুরের সম্ভাব্য ইপিজেড হাজীগঞ্জে স্থাপন করাই হবে সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত।
