হাজীগঞ্জে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের পার্সেল থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। উদ্ধারকৃত গাঁজার পরিমাণ ১৯ কেজি ৫০০ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মার্চ রাতে হাজীগঞ্জ থানার এসআই (নিঃ) নূরমোহাম্মদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল ও মাদক উদ্ধার অভিযানে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় থানার ডিউটি অফিসারের মাধ্যমে খবর পান যে হাজীগঞ্জ পৌরসভার মকিমাবাদ এলাকায় অবস্থিত এ.জে.আর ট্রান্সপোর্ট এজেন্সী লিঃ কুরিয়ার সার্ভিস অফিসে একটি পার্সেলের মধ্যে বিপুল পরিমাণ মাদক রয়েছে।
খবর পেয়ে এসআই নূরমোহাম্মদ ও পিএসআই সৌরভ হাদী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কুরিয়ার কর্তৃপক্ষের দেখানো একটি বাদামী রঙের DHL লেখা বক্স খুলে তল্লাশি করেন। এ সময় বক্সের ভিতর থেকে ৯টি প্যাকেটে মোট ১৯ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ছিলো ২ কেজি ওজনের ৫টি প্যাকেট ২ কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের ২টি প্যাকেট ২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের ১টি প্যাকেট
২ কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের ১টি প্যাকেট এছাড়াও বক্সের ভিতরে ২ পাতা ওরাল ফ্রেশ ব্রাশ, ২ বোতল ফুড কেয়ার ওটস, ১২টি কিচেন ক্লিনার, একটি বুকিং মেমো ও ‘মায়ের দোয়া এন্টারপ্রাইজ’-এর একটি ক্যাশ মেমো উদ্ধার করা হয়। পরে রাত ১টা ২৫ মিনিটে জব্দ তালিকার মাধ্যমে এসব আলামত জব্দ করা হয়।
কুরিয়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়, ৮ মার্চ দুপুর আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি ‘মায়ের দোয়া এন্টারপ্রাইজ, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর’ এর পক্ষ থেকে ‘পাখি স্টোর, বরিশাল’ ঠিকানায় পার্সেলটি ৩৫০ টাকা দিয়ে বুকিং করেন। পরে রাত ১১টার দিকে পার্সেলটি গাড়িতে তোলার সময় বক্সের ভিতরে সন্দেহজনক কিছু রয়েছে বলে মনে হলে তারা থানায় খবর দেন।
এ ঘটনায় উদ্ধারকৃত গাঁজা থানায় এনে অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন এসআই নূরমোহাম্মদ। হাজীগঞ্জ থানায় মামলা নং-১৩, তারিখ ০৯ মার্চ ২০২৬, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) এর ১৯(গ)/৪১ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
মামলাটি তদন্ত করছেন হাজীগঞ্জ থানার এসআই (নিঃ) সাজ্জাদ হোসেন।
