কচুয়া উপজেলায় স্কুলে ময়লার স্তূপে দেওয়া আগুনে দগ্ধ হয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় নয় শিক্ষককে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
গত বছরের ২১ জানুয়ারি উপজেলার তেতৈয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দগ্ধ হয়ে মারা যায় শিক্ষার্থী সামিয়া আক্তার। এ ঘটনার পর বিভাগীয় মামলা হয়েছিল।
জেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহাম্মদ মোছাদ্দেক হোসেন বৃহস্পতিবার বলেন, তদন্ত শেষে দায়িত্বে অবহেলার কারণে সম্প্রতি প্রধান শিক্ষক মাসুক হাসানের তিন বছরের জন্য ইনক্রিমেন্ট (বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি) স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি আট সহকারী শিক্ষককে শাস্তিমূলক বদলি এবং এক বছরের জন্য বেতন স্কেলের একটি ধাপ নিচে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শাস্তিপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা হলেন- ফারুক হোসেন, জসিম উদ্দিন, সাহিদা আক্তার, সুমি আক্তার, রোকেয়া আক্তার, কাজী শাকিরীন, ফয়জুন নেছা ও ফাতেমা আক্তার।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় জানায়, এমন দায়িত্বহীনতা এড়াতে জেলার ১ হাজার ১৫৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সতর্কতামূলক চিঠি পাঠানো হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ধরনের অবহেলা না ঘটে।
মামলার বরাতে জানা যায়, সেদিন বিদ্যালয় মাঠের দক্ষিণ পাশে ময়লার স্তূপে দপ্তরি সুমন মজুমদার আগুন ধরিয়ে দেন। স্কুল ছুটির পর বড় বোনের জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে শিশুশ্রেণির শিক্ষার্থী সামিয়া আক্তার আগুনে দগ্ধ হয়। গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ২৬ জানুয়ারি তার মৃত্যু হয়।
