ফরিদগঞ্জে মরিয়ম আক্তার (১৭) নামে এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহতের নানীর দাবি, এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় হতাশা থেকে আত্মহত্যা করতে পারেন মরিয়ম।
শনিবার (১৯ জুলাই) রাতে থানা পুলিশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরিয়মের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর পাঠায়। এর আগে নানার বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।
নিহত মরিয়ম চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী গ্রামের সালাউদ্দিন ও জয়নব বানু দম্পতির মেয়ে। তবে এ স্কুলছাত্রী সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়নের টোরামুন্সিরহাট গ্রামের নানা বাড়িতে থাকতো।
নিহতের নানি মমতাজ বেগম জানান, মরিয়মের বাবা নেশায় আসক্ত। এ নিয়ে তাদের পরিবারে কলহ সৃষ্টি হয়। তার বাবা-মায়ের লিখিতভাবে বিচ্ছেদ না হলেও গত কয়েক বছর দুই মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে রয়েছেন এ মা। মরিয়মের বাবা তাদের খোঁজখবর নেয় না। বাধ্য হয়ে ঢাকাতে গার্মেন্টস শ্রমিক হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে মরিয়মের মা।
তিনি আরও বলেন, মরিয়ম এসএসসি পরীক্ষায় গণিত বিষয়ে ফেল করে। এ জন্য বেশ কয়েকদিন ধরে তার মন খারাপ ছিল। ঘটনার দিন আমি বাড়ির বাহিরে ছিলাম, বাসায় কেউ ছিল না। এ সুযোগে সে গলায় ফাঁস দেয়। পরে তার ছোট বোন দেখে চিৎকার দিলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক যাচাই-বাছাই শেষে মরিয়মকে মৃত ঘোষণা করে।
ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ওই কিশোরীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
