স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩-৪ বছর আগে সুমাইয়া আক্তার স্মৃতির মুকুন্দসার গ্রামের মাহবুবুল আলমের সাথে পারিবারিক ভাবে তাদের বিবাহ হয়।
নিহতের স্বামী মাহবুবুল আলম বাবুরহাটে একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতো। ঐ চাকরিটা ছেড়ে দিয়ে তিনি এখন বেকার অবস্থায় রয়েছেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রী তাদের দুজনের মধ্যে প্রায় সময় পারিবারিক কলহ ছিল মর্মে জানা যায়। ঘটনার দিন অনেকক্ষণ যাবত নিহত সুমাইয়াকে দেখতে না পেয়ে তার শাশুড়ি তাকে খুঁজতে ঘরে যান। এসময় তার রুমের দরজা বন্ধ দেখে অনেক বার ঢাকার পরও দরজা না খোলাতে আশেপাশের লোকজনকে ডেকে এনে দরজা ভেঙ্গে রুমে প্রবেশ করেন। তখনই সুমাইয়াকে সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে সুমাইয়ার ঝুলন্ত লাশ দেখে ডাক চিৎকার দিলে আশেপাশের আরো লোকজন এসে ভিড় জমান।
নিহত সুমাইয়া আক্তার স্মৃতি একই এলাকার লেয়াকত শেখ এর মেয়ে। মাহবুবুল আলম ও সুমাইয়া আক্তার স্মৃতির সংসারে তিন বছর বয়সী একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। এ ঘটনায় হাজীগঞ্জ থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
