পল্লী বিদ্যুতে কর্মরত এক কর্মী নিয়মিত তার ফেসবুক পেজ ‘বিদ্যুৎ প্রতিদিন’-এ বিদ্যুৎ ও লোডশেডিং-সংক্রান্ত বিভিন্ন ভিডিও প্রকাশ করতেন। সম্প্রতি তার প্রকাশ করা একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। এরই মধ্যে তিনি চাকরি হারিয়েছেন বলে জানা গেছে।
চাকরি হারানোর পর দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে ওই কর্মী ঘটনার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং সবার কাছে ক্ষমা চান।
পোস্টে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ অফিসে হামলা ও বিদ্যুৎকর্মীদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটছিল। এ পরিস্থিতিতে মানুষকে বোঝানোর উদ্দেশ্যেই তিনি বিদ্যুৎ অফিস কীভাবে লোডশেডিং পরিচালনা করে, তা নিয়ে ভিডিওটি তৈরি করেছিলেন। তার উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে সচেতন করা এবং বিদ্যুৎ অফিসে হামলা থেকে বিরত রাখা।
তবে ভিডিওটি ভিন্নভাবে মানুষের কাছে উপস্থাপিত হওয়ায় বিষয়টি এত বড় আকার ধারণ করবে, তা তিনি বুঝতে পারেননি বলে জানান। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তাকে নিয়ে প্রকাশিত খবরের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।
নিজের ভুল স্বীকার করে তিনি বলেন, অফিসের কথা চিন্তা করেই ভিডিওটি করেছিলেন, কিন্তু এর ফলে নিজের, পরিবারের ও কর্মস্থলের ওপর যে প্রভাব পড়তে পারে তা তিনি বুঝতে পারেননি।
পোস্টে তিনি তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি দেশ ও দেশের মানুষের কাছেও দুঃখ প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ বিষয়ে আর কোনো পোস্ট বা ভিডিও প্রকাশ করবেন না বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
সবশেষে নিজের ও পরিবারের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করে তিনি লেখেন—তার কথা বা কাজে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে যেন নিজ গুণে ক্ষমা করে দেন।
