চাঁদপুর শহরে দুই হাজার অটোরিকশার লাইসেন্স দেয়ার কথা বলেছে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। অথচ চলাচল করছে কমপক্ষে ৯-১০ হাজার। ডিজিটাল প্লেট সরবরাহের পর অবৈধ অটোরিকশা রাস্তায় চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করে পৌরসভার পক্ষ থেকে মাইকিংও করা হয়েছে। তার পরও চলছে নিবন্ধনবিহীন এসব যানবাহন। পৌরসভার বাসিন্দারা জানান, অবৈধ এসব অটোরিকশার কারণে যানজটের শহরে পরিণত হয়েছে চাঁদপুর।
এদিকে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিচালনার জন্য জনবল সংকটও রয়েছে। ২০২০ সালে চাঁদপুর জেলায় ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা ছিল ৭৩। এই সংখ্যা কমে এখন দাঁড়িয়েছে ৪৮-এ। সামান্য এই জনবল দিয়ে পুরো জেলায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কাজ করা হচ্ছে।
পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলার জন্য ট্রাফিক পুলিশের সৃষ্ট পদ হচ্ছে মাত্র ২৪টি। তার পরও কোনোমতে এ সংখ্যা আরো বাড়িয়ে পুরো জেলায় কোনো রকমে কাজ চালানো হচ্ছে। তাদের দিয়ে অতিরিক্ত ডিউটি করানো হচ্ছে। ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা বাড়ানোর জন্যে সদর দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। শিগগিরই জনবল বাড়ানো হবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
এ বিষয়ে পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আমরা শহরের প্রধান মোড়গুলো প্রশস্ত করার কাজ করছি। ইজিবাইকের জন্য নতুন ডিজিটাল নম্বর প্লেট করেছি যা দিয়ে অবৈধ গাড়ি চিহ্নিত করা যাবে। লাইসেন্স নবায়ন করেনি এমন ২ হাজার ৮০০ লাইসেন্স থেকে ১৫০টি বাতিল করা হয়েছে।’
ডিজিটাল প্লেট সরবরাহের পর অবৈধ গাড়ি রাস্তায় না নামানোর জন্য মাইকিং করা হয়েছে। তাতে অনেক চালক অবৈধ গাড়ি নিজ থেকেই সরিয়ে নিয়েছে। অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকটি গাড়ি আটকও করেছি। আবার হয়তো রাস্তায় অবৈধ গাড়ি নামতে পারে। আমরা প্রশাসনের সহায়তায় পুনরায় অভিযান চালাব। ট্রাফিক পুলিশকে সহায়তার জন্য পৌরসভা থেকে কর্মী দিয়েছি।’
