মতলব উত্তর উপজেলায় শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার পর নিখোঁজ রিপন প্রধান (২৮) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১১ এপ্রিল) চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতের পরিবার জানায়, শনিবার বেলা তিনটার দিকে শ্বশুরবাড়িতে যান। এর পর থেকে তার মুঠোফোন নম্বর বন্ধ পান স্বজনেরা। রাত নয়টার দিকে শ্বশুরবাড়ির এক ব্যক্তির ফোনে জানান, রিপন অসুস্থ হয়ে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে আছেন। পরে হাসপাতালে গিয়ে দেখতে পান, ওই হাসপাতালের সিঁড়ির নিচে রিপনের মরদেহ পড়ে আছে।
স্বজনদের দাবি, স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন রিপনকে হত্যা করে মরদেহ হাসপাতাল এলাকায় ফেলে চলে যান। স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমে বাধা দেয়ায় এবং দাম্পত্য কলহের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশের ভাষ্য, ওই যুবকের মৃত্যু রহস্যজনক।
রিপন প্রধানের ভাই জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করে জানান, তার ভাইকে স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন হত্যা করে মরদেহ ওই হাসপাতালের সিঁড়ির নিচে রেখে পালিয়ে গেছেন। বাড়ি থেকেও পালিয়ে গেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে রিপনের স্ত্রী খাদিজা আক্তারের মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সংযোগ বন্ধ পাওয়া যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গতকাল রাত থেকে খাদিজা ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক।
মতলব দক্ষিণ থানার পরির্দশক (তদন্ত) অখিল সরকার জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় থানায় এখনো মামলা হয়নি। তবে, মামলা প্রক্রিয়াধীন।
