আজ সোমবার বিকালে তিনি জানান, জেলায় হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা সেবা দিতে হাসপাতালগুলোকে বাড়তি ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সিভিল সার্জনের পরিসংখ্যান বিভাগের দেওয়া তথ্যমতে, চাঁদপুর সদর জেনারেল হাসপাতালে ১৭ শিশু, হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩ শিশু ও মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ শিশুসহ মোট ২৩ শিশু হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে।
চাঁদপুর সদর জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, জ্বর, সর্দি, কাঁশিসহ বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছে শিশুরা। হাম রোগে আক্রান্ত রোগীদের লক্ষণ দেখে আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হচ্ছে। তবে সেখানে পর্যাপ্ত বেড না থাকায় ফ্লোরে রাখা হচ্ছে শিশুদের।
হাসপাতালের চিকিৎসক সৈয়দ আহমেদ কাজল বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের চোখ লাল হওয়া, জ্বরের তাপমাত্রা বেশি, কাঁশি, শরীর লালচে বর্ণের হয়ে থাকে। তাদেরকে দ্রুত নিকট বর্তি হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি অভিভাবকদের মনোবল না হারিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শিশুদের সেবা করার আহবান জানান।
চাঁদপুর সদর জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে। তাদেরকে আলাদা আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
