চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলা খাদ্যগুদামের পূর্ব পাশে সীমানাপ্রাচীর সংলগ্ন দুটি কাঁঠালগাছ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে গুদামের প্রহরী ফরিদের বিরুদ্ধে। প্রহরী ফরিদ নিজেই গাছ কাটার বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছেন, তিনি লাকড়ির জন্য গাছ দুটি কেটেছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, ফরিদগঞ্জ উপজেলা খাদ্যগুদামের পূর্ব পাশে সীমানা প্রাচীর সংলগ্ন দুটি কাঁঠালগাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে খাদ্য অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গাছ দুটি কাটার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি।
গাছ কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্যগুদামের প্রহরী ফরিদ বলেন, “আমি লাকড়ির জন্য গাছ দুটি কেটেছি।” তিনি আরও স্বীকার করেন, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই গাছ দুটি কেটেছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ খাদ্যগুদামের খাদ্য পরিদর্শক
মো:জামাল উদ্দিন বলেন, “বিষয়টি আগে জানতাম না। আপনার মাধ্যমে জানতে পেরেছি এবং ঘটনাটি দেখেছি। এ বিষয়ে নোটিশ দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওয়াসিম বলেন, “আমি বিষয়টি জেনেছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, আমি এখন আপনার মাধ্যমে জানতে পেরেছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি প্রতিষ্ঠানের গাছ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কাটার ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।
