শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে না গিয়ে শাহরাস্তির পর্যটন কেন্দ্র ডাকাতিয়া নদীর তীরের ওয়াকওয়ে শিক্ষার্থীদের দেখা গেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজিয়া হোসেন।
তিনি বলেন স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শাহরাস্তি উপজেলার সর্বসাধারণ জনগণ ও সকল স্তরের শিক্ষক মন্ডলীদের অধীনস্থ শাহরাস্তি উপজেলা আওতাধীন সকল স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ শিক্ষার্থীরা যেন স্কুল টাইমে শাহরাস্তির ঐতিহ্যবাহী পর্যটন কেন্দ্র ডাকাতিয়া নদীর তীরে অবস্থিত শাহরাস্তি ওয়াকওয়ে বিভিন্ন স্কুল কলেজের ড্রেস পরা ছাত্র-ছাত্রীদের ঘুরাফেরা করতে দেখা না যায়।
উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীকে স্কুল টাইমে ওয়াকওয়ে বসে আড্ডা দিতে দেখা যায় এবং সন্ধ্যা ছয়টার পরে কোন ছাত্র-ছাত্রী ও মাদক সেবনকারী ও মাদক বিক্রিকারী ব্যক্তিগণকে ওয়ার্কওয়ে পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
শাহরাস্তি উপজেলার ওয়াকওয়েটি সার্বক্ষণিক ডোন ক্যামেরা মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসন ও শাহরাস্তি থানা কর্তৃক নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ঐরকম কোন পরিবেশ আপনার নজরে আসলে আপনি একজন সচেতন ব্যক্তি হিসেবে উপজেলা প্রশাসন ও থানাকে ইনফরমেশন দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানান।
সকল শিক্ষক ও অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, স্কুল, কলেজে, মাদ্রাসায় পড়ুয়া আপনাদের ছেলে, মেয়ে পড়ার পাশাপাশি কোথায় যায়, কি করে সে বিষয়ে আপনাদের সচেতন হতে হবে।
তারা যেনো মাদক সেবন , কিশোর গ্যাং বা কোন ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়াতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে অভিভাবক ও সমাজের প্রতিটি মানুষকে। তাহলেই অপরাধ প্রবণতা কমে যাবে সমাজ থেকে।
প্রশাসন সমাজকে বদলানোর চেষ্টা করবে কিন্তু শিক্ষক, অভিভাবক যারা আছেন আপনাদের সন্তানের প্রতি খেয়াল রাখার জন্য আপনাদের ভূমিকা পালন করতে হবে।