সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ভবনটির নিচতলার সিঁড়ির পূর্ব পাশের একটি কক্ষ ও তৃতীয় তলায় পুরো ফ্লোর জুড়ে বিশাল আকৃতির ৩টি কক্ষ রয়েছে। কক্ষগুলোকে বাসা বানিয়ে বসবাস করছেন প্রতিষ্ঠানটির হিসাব রক্ষক রিতা আক্তার ও নৈশপ্রহরী সাদ্দাম হোসেন।
বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের তৃতীয় তলা দখল করে রীতিমতো বাসা বানিয়ে বসবাস করছেন বিদ্যালয়ের হিসাব রক্ষক রিতা আক্তার ও নৈশপ্রহরী সাদ্দাম হোসেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ভবনটি নির্মিত হলেও এটি এখন তাদের বসতি হয়ে উঠেছে। তবে রেজ্যুলেশনের মাধ্যমে বসবাস করার অনুমতি পেয়েছেন দাবি করেন তারা।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের প্যারাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২০-২১ অর্থবছরে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রটি নির্মাণ করে সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। এটি মূলত দুর্যোগকালীন সময়ে আশ্রয়ণ কেন্দ্র কাম একাডেমিক ভবনের জন্য নির্মিত হয়। এর তৃতীয় তলার পুরো ইউনিটকে বসতি হিসেবে গড়ে তুলেছেন বিদ্যালয়ের হিসাব রক্ষক রিতা আক্তার ও নৈশপ্রহরী সাদ্দাম হোসেন।
এ বিষয়ে জানতে সংবাদকর্মীরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে গেলে সেখানেই উচ্চবাচ্য শুরু করেন রিতা।
প্রধান শিক্ষক নাছির উদ্দিন বলেন, ‘পূর্বের কমিটি রেজ্যুলেশন করে তাকে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছে।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও বিদ্যালয়ের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আশ্রয়কেন্দ্র ভবনে বসবাস করার বিষয়ে আমি অবগত নই।
আমি এ বিষয়টির জন্য প্রধান শিক্ষককে লিখিত জবাব দেওয়ার কথা বলেছি। আগামীকাল সোমবারের (২২ সেপ্টেম্বর) মধ্যে তিনি আমাকে বিষয়টি জানাবেন। এরপর তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সূত্র: কালের কন্ঠ