হাজীগঞ্জ উপজেলার আলোচিত যুবদল নেতা মিজানুর রহমান সেলিম ওরফে মাই ওয়ান সেলিম–কে ঘিরে সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রচারিত সংবাদকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই প্রতিবেদনে তাদের বক্তব্য বিকৃতভাবে প্রচার করে সেলিমকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
বনফুল সংঘের আহ্বায়ক কমিটির সভাপতি গোবিন্দ সাহা বলেন, “সেলিম ভাইয়ের সঙ্গে আমার কখনো ব্যক্তিগত পরিচয় হয়নি, এমনকি তিনি আমাদের ক্লাবেও আসেননি। সাংবাদিকরা আমার বক্তব্যকে নানা ভাবে ঘুরিয়ে নিতে চেয়েছিলেন। পরে আমি যা বলেছি, তার বিপরীতভাবে প্রচার করা হয়েছে।”
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ বিশ্বরোড এলাকার বাসিন্দা দুলাল জানান,
“আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল এখানে কারা আসেন। আমি বলেছি—সেলিম ভাই, ভুট্টু ভাইসহ কয়েকজন আসেন, কারণ হীরা নামে এক বন্ধুর বাসা এখানে রয়েছে। কিন্তু সংবাদে আমার উত্তর বিকৃতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।”
স্থানীয়দের মতে,পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই সেলিমকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ঘিরে চাঁদাবাজি ও দখলবাজির মতো ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে।
উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা মন্তব্য করেন,“মিজানুর রহমান সেলিম দীর্ঘদিন ধরে দলের নির্ভরযোগ্য ও পরিশ্রমী কর্মী। তাকে হেয় করার জন্য ভেতরে-বাইরে সক্রিয় একটি চক্র মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।”
নিজের অবস্থান তুলে ধরে সেলিম বলেন, “আমি মানুষের টাকা আত্মসাৎ করার মানুষ নই। আমার বাবার সম্পত্তিই যথেষ্ট আমাদের পরিবারের জীবনের জন্য। নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেওয়ার পর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তবে শেষ পর্যন্ত জনগণই সত্যের জয় ঘটাবে।”
হাজীগঞ্জ বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ীও সেলিমের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এবং জনপ্রিয় মানুষ। তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেগুলো অসৎ মহলের চক্রান্ত ছাড়া আর কিছুই নয়।
জনগণের ভাষ্য অনুযায়ী,সেলিম তাদের আস্থার প্রতীক। তারা মনে করছেন, মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে একজন জনপ্রিয় নেতাকে বিতর্কিত করা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্যও মারাত্মক হুমকি।