প্রিন্ট তারিখ: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chandpur Tribune Logo

শাহরাস্তিতে নিষিদ্ধ জালে নিধন হচ্ছে দেশি প্রজাতির পোনামাছ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০ জুলাই, ২০২৫

শাহরাস্তি উপজেলার আশপাশের বিভিন্ন মাঠে খাল-বিলে অবাধে ব্যবহার করা হচ্ছে নিষিদ্ধ রিংজাল, ঘেরজাল, কচাল ও ঘূর্ণিজাল। এসব জালে প্রতিনিয়ত ধরা হচ্ছে বোয়াল, রুই, কাতলা, মৃগেল, টেংরা, পুঁটি, শিং, কৈ, চিংড়ি ও গুঁচি সহ নানা প্রজাতির দেশি মাছের পোনা।

এতে একদিকে যেমন মাছের উৎপাদন কমছে, তেমনি বিলুপ্তির মুখে পড়ছে বহু দেশিয় প্রজাতি মাছের ভাণ্ডার। এরই মধ্যে হারিয়ে যেতে বসেছে পাতাশি, বাঁশপাতাড়ি, ইটা, গাগর, কালবাউস, দারি সহ কিছু দুর্লভ প্রজাতি মাছ।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, পোনা মাছ নিধন ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান চালানো সহ নিষিদ্ধ জালের বিক্রি বন্ধ এবং জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি। না হলে একদিন হয়তো দেশিয় প্রজাতির মাছ থাকবে কেবল স্মৃতিতে।
উপজেলার টামটা গ্রামের বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানি কমে গেলে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মা মাছ শিকারের মহোৎসব চলে। বর্ষা এলেই শুরু হয় পোনা মাছ নিধন। কারেন্ট, রিংজাল, কচাল সহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করছে শিকারিরা। মৎস্য অফিসের তেমন কোনো তদারকি নেই। দিন দিন কমে যাচ্ছে মাছ।

একই অভিযোগ করেন ঠাকুর বাজারের বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম । তিনি বলেন, ‘বিলমান্দা থেকে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে দেশিয় মাছের পোনা ধরে ঠাকুর বাজার সহ বিভিন্ন বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি করা হচ্ছে। মা মাছও ধরা হচ্ছে এসব জালে। এভাবে চললে আগামিতে দেশিয় মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাবে।’

উয়ারুক বাজারের ওমর ফারুক জানান, ‘নিষিদ্ধ জালে প্রতিদিন বিলহিলনা থেকে ধরা হয় প্রচুর পরিমাণে দেশিয় জাতের পোনামাছ। উপজেলা বিভিন্ন আড়তে প্রকাশ্যে বেচাকেনা চলে। পরে এখান থেকে তা ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন বাজারে।

এ বিষয়ে শাহরাস্তি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাচ্ছেন সচেতন মহল।

চিফ এডিটর: জাহাঙ্গীর আলম হৃদয়
সম্পাদক: মোঃ মজিবুর রহমান পাটোয়ারী
আইন উপদেষ্টা: অ্যাডভোকেট শামসুল আলম পাটোয়ারী
সহকারী সম্পাদক: মোঃ সিদ্দিকুর রহমান (নয়ন)
বার্তা সম্পাদক: রাফিয়া নুসরাত নিদি
যোগাযোগ: +৮৮ ০১৮১৭-৭৫০৯১০, [email protected]
অনলাইন সংস্করণ: chandpurtribune.com | © ২০২৬ চাঁদপুর ট্রিবউন