নেচে-গেয়ে হাজারো মানুষ অংশ নিল ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’য়। এবারের পয়লা বৈশাখের এই বর্ণিল শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য—‘নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে আজ সোমবার সকাল ৯টায় শোভাযাত্রা শুরু হয়। শেষ হয় সকাল সাড়ে ১০টায়।
শোভাযাত্রায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি যুক্ত হন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষের অংশগ্রহণ ছিল। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ফিলিস্তিনে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বানও ছিল শোভাযাত্রায়।
শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি’। এ ছাড়া মাছ, তরমুজসহ বিভিন্ন মোটিফ। ছিল বাংলার ঐতিহ্যবাহী মুখোশ। ছিল ফিলিস্তিনের পতাকা। এ ছাড়া ছিল পুলিশের অশ্বারোহী দল।
শোভাযাত্রায় প্রতীকীভাবে বাংলা ও বাঙালির ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়। কৃষককে নেচে–গেয়ে ফসল তোলার দৃশ্য দেখা যায়। তাঁদের একজন প্রথম আলোকে বলেন, গ্রামবাংলার কৃষিই তো বাংলাকে তুলে ধরে।
শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের মানুষকে অংশ নিতে দেখা যায়।
শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ মোড়, টিএসসি মোড়, শহীদ মিনার, শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্র ও দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনের রাস্তা দিয়ে আবারও চারুকলা অনুষদে গিয়ে শেষ হয়।
আগেই বলা হয়েছিল, এবারের শোভাযাত্রায় ২৮টি জাতিগোষ্ঠী, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন দেশের অতিথিরা অংশ নিচ্ছেন।