চাঁদপুরের হাইমচরে সরকারি ডাকঘরে স্বল্প খরচে পার্সেল পাঠানোর সুবিধা চালু থাকলেও প্রচারণার অভাবে অনেকেই জানেন না এ সেবার কথা। ফলে সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা সরকারি সাশ্রয়ী সেবার সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, স্পিড পোস্টে প্রথম এক কেজি পর্যন্ত মূল ডাক চার্জ মাত্র ১০ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি কেজিতে ৫ টাকা। এর সঙ্গে প্রযোজ্য রেজিস্ট্রেশন, জিইপি ও ইলেকট্রনিক চার্জ যুক্ত হয়। রয়েছে পার্সেল ট্র্যাকিং ও মোবাইলে বার্তা পাওয়ার সুবিধা।
হাইমচর উপজেলা পোস্টমাস্টার জানান, ডাকঘরে নিয়মিত স্পিড পোস্টের মাধ্যমে পার্সেল গ্রহণ, প্রেরণ ও বিতরণ করা হচ্ছে। তবে আগে স্থানীয়ভাবে কোনো প্রচারণা চালানো হয়নি। বর্তমানে পোস্টার ও লিফলেটের মাধ্যমে প্রচারণার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, হাইমচরের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলে সরকারি এই সেবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, অনলাইন উদ্যোক্তা ও সাধারণ মানুষের অর্থ সাশ্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।
সচেতন মহলের দাবি, সরকারি সেবা শুধু ডাকঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে হাটবাজার ও জনসমাগমস্থলে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে।
জনস্বার্থে আহ্বান—পার্সেল পাঠানোর আগে সরকারি ডাকঘরে খোঁজ নিন। নিজে জানুন, অন্যকেও জানান।