চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা গতবারের তুলনায় কমেছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফলে উপজেলায় মোট ২ হাজার ৯০৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১ হাজার ৮৪৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫৩ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ১ হাজার ৫৯ জন। উপজেলায় মোট পাসের হার ৬৩.৫৭ শতাংশ।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২৭৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২১৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৭ জন। পাসের হার ৭৮.৪২ শতাংশ।
হাজীগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৮৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৭২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২ জন। পাসের হার ৯৩ শতাংশ।
জগন্নাথপুর হাজী এরশাদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৪৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন। পাসের হার ৪৩.৪৩ শতাংশ।
হাজীগঞ্জ আমিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৭৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৬৩.৯৩ শতাংশ।
টংগীরপাড় হাটিলা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭০ জনের মধ্যে পাস করেছে ৪১ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৫৮.৫৭ শতাংশ।
পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৮ জনের মধ্যে পাস করেছে ৩৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৪৭.৪৪ শতাংশ।
রাজারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২৩ জনের মধ্যে পাস করেছে ৭৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। পাসের হার ৬৪.২৩ শতাংশ।
পালিশারা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯০ জনের মধ্যে পাস করেছে ৫৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন। পাসের হার ৬১.১১ শতাংশ।
রান্ধুনীমূড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২৮ জন। পাসের হার ৩৩.৭৩ শতাংশ।
অন্যদিকে, রামচন্দ্রপুর ভূঁইয়া একাডেমিতে ৪৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। বিদ্যালয়টির পাসের হার ১০০ শতাংশ।
নাসিরকোট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৬ জনের মধ্যে পাস করেছে ৪৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৪৪.৭৯ শতাংশ।
বলাখাল জে এন উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫২ জনের মধ্যে পাস করেছে ৩৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন। পাসের হার ৬৯.২৩ শতাংশ।
বড়কুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৩ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৭ জন। পাসের হার ৩৯.৫৩ শতাংশ।
রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২১৬ জনের মধ্যে পাস করেছে ১০০ জন। পাসের হার ৪৬.৩০ শতাংশ।
বেলচোঁ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮৩ জনের মধ্যে পাস করেছে ৬৯ জন। পাসের হার ৮৩.১৪ শতাংশ।
প্যারাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬৪ জনের মধ্যে পাস করেছে ৩৭ জন। পাসের হার ৫৬.৬ শতাংশ।
বলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯২ জনের মধ্যে পাস করেছে ৫৯ জন।
জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৬৪.১৩ শতাংশ।
বড়কুল রামকানাই উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৫ জনের মধ্যে পাস করেছে ২৯ জন। পাসের হার ৬৪.৪৪ শতাংশ।
আল কাউসার স্কুলে ৮৪ জনের মধ্যে পাস করেছে ৭৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ জন। পাসের হার ৯০.৪৮ শতাংশ।
আলবান্না বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩৭ জন। পাসের হার ৮৮.১০ শতাংশ।
বলাখাল চন্দ্রবান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৫০ জনের মধ্যে পাস করেছে ১১৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন। পাসের হার ৭৬ শতাংশ।
মেনাপুর বাদশা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৯ জনের মধ্যে পাস করেছে ৪৭ জন। পাসের হার ৫৯.৪৯ শতাংশ।
পীর বাদশা মিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯ জনের মধ্যে পাস করেছে ৯ জন। পাসের হার ৪৭.৩৭ শতাংশ।
অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬৩ জনের মধ্যে পাস করেছে ৩৫ জন। পাসের হার ৫৫.৫৬ শতাংশ।
দেশগাঁও জয়নাল আবেদীন উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০৩ জনের মধ্যে পাস করেছে ৭৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৭৫.৭৩ শতাংশ।
মালিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫২ জনের মধ্যে পাস করেছে ৩০ জন। পাসের হার ৫৭.৬৯ শতাংশ।
শ্রীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৩ জনের মধ্যে পাস করেছে ২১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৪৮.৮৪ শতাংশ।
মৈশাইদ পল্লী মঙ্গল এ.জি. উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৯ জন। পাসের হার ৫৯.৩৮ শতাংশ।
হাজীগঞ্জ উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতভাগ ও উচ্চ পাসের হার ধরে রাখলেও বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার তুলনামূলকভাবে কম। ভালো ফলাফল করা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে।