তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রাকিবুল ইসলাম জানান, আলমগীর হোসেনের হত্যাকান্ডের পর থেকে প্রধান আসামী জামাল হোসেন উরফে সুন্দর আলী গ্রেফতার এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে চলে যান। সে একাধিক বার নিজ অবস্থান পরিবর্তন করাসহ ছদ্মবেশে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে লুকিয়ে ছিলো। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারসহ বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিক্তিতে আসামীর সঠিক অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর চান্দিনা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম.আবদুল হালিম জানান, কচুয়ার আলোচিত আলমগীর হত্যা মামলার মূল আসামী জামাল হোসেন সুন্দর আলীকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার এজহার ভুক্ত বাকী আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে।
উল্লেখ্য,গত ৬ আগস্ট বাড়ির সীমানা দেওয়াকে কেন্দ্র করে কচুয়া পৌরসভা করইশ গ্রামে স’মিল মিস্ত্রী আলমগীর হোসেনকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জামাল হোসেন উরফে সুন্দর আলীর নেতৃত্বে ৮/১০জন লোকজন মিলে অর্তকিত হামলা চালিয়ে ঘটনাস্থলে তাকে হত্যা করে। ২৩ শে আগস্ট আলমগীরের স্ত্রী খালেদা বেগম বাদী হয়ে কচুয়া থানায় জামাল হোসেন উরফে সুন্দর আলীকে প্রধান আসামী করে ৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৮।