আসন্ন হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ হাসান মিয়াজী ব্যাপক গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন।
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বদরপুর ও টোরাগড় এলাকায় দিনব্যাপী এ গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়।
বিকেলে হাজীগঞ্জ মডেল মসজিদে আসরের নামাজ আদায় শেষে তিনি বদরপুর এলাকায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী,দোকানদার এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন।
এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন সমস্যা,প্রত্যাশা ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত মতামত মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং একটি আধুনিক ও জনবান্ধব পৌরসভা গঠনে নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
পরে টোরাগড় নূরে মোস্তফা (সা.) জামে মসজিদে মাগরিবের নামাজ আদায় শেষে সাবেক সংসদ সদস্য এম. এ. মতিনের কবর জিয়ারত করেন। এরপর টোরাগড়সহ ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক,অলিগলি ও পাড়ায় ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে ভোটারদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি উন্নয়ন,সুশাসন ও নাগরিকসেবামুখী পৌরসভা গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
গণসংযোগকালে মোহাম্মদ হাসান মিয়াজী বলেন,“আমি হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছি। বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে দলীয় সমর্থন প্রত্যাশা করছি। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়,তাহলে নির্বাচন করব। আর যদি অন্য কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়,তাহলে দলের সিদ্ধান্ত মেনে তার পক্ষেই কাজ করব। দল ও জনগণের স্বার্থই আমার কাছে সর্বাগ্রে।”
তিনি আরও বলেন,জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে একটি পরিচ্ছন্ন,স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও আধুনিক পৌরসভা গড়ে তুলতে কাজ করবেন। প্রশাসনের সহযোগিতায় মাদক,ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ,নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ,নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি জানান, হাজীগঞ্জ বাজারের দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনে সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় বাস্তবসম্মত ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি পৌরসভার অর্থের সুষ্ঠু,স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে এবং জনস্বার্থবিরোধী বা বিধিবহির্ভূত কোনো প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না।
গণসংযোগে পৌর ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।