আহ্বায়ক কমিটির অন্যান্যরা হলেন: সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক শেখ মোহাম্মদ হাবিব, যুগ্ম আহবায়ক মামুন খান, রাজন দাস, মোঃ জুয়েল হোসাইন, মোহাম্মদ ফয়সাল, মোঃ জুয়েল রানা তালুকদার, সোহেল গাজী, জিসান আহম্মেদ, মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী মুন্না, ইবনে সুলতান মামুন, আল ফারুক শাহরিয়ার,রুমা আক্তার, আশিকুর রহমান শিপন, মো. বারেক, মাসুদ পাটোয়ারী, ফয়েজ ঢালী, জিহাদ হোসেন গাজী, সম্রাট মোঃ রইজ উদ্দিন চৌধুরী, মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব, মোঃ শাহাদাত হোসেন প্রিন্স, মিরাজ মাহমুদ জিসান, মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি তালুকদার।
আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ ফয়সাল বলেন, রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে ছিলাম। বিগত আওয়ামীলীগের আমলে অনেক হামলা মামলা নির্যাতনের শিকার হয়েছি। ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই মতলব দক্ষিণে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমার ডান পাজরের হাড় ভেঙে দেয় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অনিকসহ ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেটে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলাম। ২০২৪ সালের ২৪ মার্চ রাতে মতলব দক্ষিন থানার সাবেক ওসি রিপন বালা রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে বেধম মারধর করে ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে।