ক্যালিফোর্নিয়ার সোফি স্টেডিয়াম রেঙেছিল স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের লাল-সাদার মিশ্রিত রঙে। বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজকরা নিজের ফুটবলভক্তদের নিরাশ করেনি। দাপুটে পারফরম্যান্সে তারা লাতিন আমেরিকার দেশ প্যারাগুয়েকে ৪-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে আসর শুরু করেছে।
পুলিসিচের সৃষ্ট আক্রমণ থেকে হওয়া আত্মঘাতী গোলে মাত্র সাত মিনিটেই লিড পায় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ৩১তম মিনিটে প্রথম গোল করেন বালোগুন। এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। নিউইয়র্কে জন্ম নেওয়া ও লন্ডনে বেড়ে ওঠা এই স্ট্রাইকার বিশ্বকাপে নিজের অভিষেক ম্যাচেই জোড়া গোল করেন। ১৯৩০ সালের পর বিশ্বকাপে কোনো মার্কিন খেলোয়াড়ের এটাই প্রথম এক ম্যাচে একাধিক গোল।
তিন বছর আগে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার পথ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রকে বেছে নেওয়া ২৪ বছর বয়সী মোনাকো ফরোয়ার্ড ইতোমধ্যেই মার্কিন দলের দীর্ঘদিনের স্ট্রাইকার সংকট কাটানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। বিরতির সময় পুলিসিচের পরিবর্তে মাঠে নামেন সেবাস্তিয়ান বারহাল্টার। তবে এসি মিলানের এই তারকা ঠিক আছেন বলে গ্যালারিতে থাকা পরিবারের সদস্যদের ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। মার্কিনিদের প্রথম দুই গোলেই ক্ষিপ্র গতি আর সৃজনশীল পারফরম্যান্স ছিল পুলিসিচের।
তিনি মাঠ ছাড়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে যুক্তরাষ্ট্র কিছুটা ছন্দ হারালেও শেষ পর্যন্ত রেইনা গোল করে জয়ের ব্যবধান বাড়ান। বক্সে ঢুকে চমৎকার টো-ফ্লিকে নিজের প্রথম বিশ্বকাপ গোলটি করলেন তিনি। কাতার বিশ্বকাপে সাবেক কোচ গ্রেগ বারহাল্টারকে ঘিরে পারিবারিক বিরোধের কারণে খুব কম খেলার সুযোগ পাওয়া রেইনার জন্য মুহূর্তটি ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এর আগে ৭৩ মিনিটে প্রাদো মরিসিও’র গোলে ব্যবধান কমায় প্যারাগুয়ে।