হাজীগঞ্জ উপজেলার ২নং বাকিলা ইউনিয়নে ভিজিএফের ১০ কেজি চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
উপকারভোগীদের দাবি, সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী ১০ কেজি চাল পাওয়ার কথা থাকলেও অনেককে কম চাল দেওয়া হয়েছে। আবার কিছু ক্ষেত্রে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি চাল বিতরণের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
রোববার (২৪ মে) সকাল থেকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ভিজিএফের চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। এসময় বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা উপকারভোগীরা চাল গ্রহণ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বেশ কয়েকজন উপকারভোগী ১০ কেজির পরিবর্তে সাড়ে ৮ কেজি থেকে সাড়ে ৯ কেজি পর্যন্ত চাল পেয়েছেন বলে অভিযোগ করেন। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে উপকারভোগীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ দেখা দেয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান। মুঠোফোনে তিনি প্রতিবেদককে জানান, অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক অপপ্রচার।
চেয়ারম্যান বলেন, আমার ইউনিয়নে মোট ২ হাজার ৭৪টি ভিজিএফের কার্ডের বিপরীতে চাল বিতরণ করা হয়েছে। আমি প্যানেল চেয়ারম্যানকে নির্দেশনা দিয়েছি, সবাইকে যেন সমপরিমাণ চাল দেওয়া হয়। আজ চাল বিতরণের সময় আমি উপস্থিত ছিলাম না।
তিনি আরও বলেন, কাউকে কম চাল দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বরং অতিরিক্ত লোকজন এলে নিজের তহবিল থেকে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত সহযোগিতা করি, যাতে কেউ মন খারাপ করে ফিরে না যায়। একটি মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।