সরকার থেকে বাড়ী, চিকিৎসা ভাড়াসহ নানা সুযোগ সুবিদা ভোগ করে তিনি কলেজের স্কাউট অফিসে কেন থাকেন। সেখানে নির্জন একটি রুমে অফিসের স্টাফ রূপাকে দিয়ে রাত ১০/১১ টা পর্যন্ত খাওয়া দাওয়ার জন্য নিয়োজিত রাখেন। কেন তিনি পুরুষ পিওন রাখেন না। হিসাব বিজ্ঞান রাশেদ স্যারকে অতিরিক্ত প্রশ্রয় দিয়েছেন। মারুফ নামে এক শিক্ষক যে কিনা গত এক বছর ধরে কলেজে উপস্থিত নেই।
অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন আমার সাথে তথা মল্লিকা ম্যাডাম, হারুন স্যারসহ সিনিয়র অধ্যাপকদের সাথে বৈষম্য আচরণ শুরু করেন। আমাকে জোরপূর্বক অবসরে পাঠান। মল্লিকা ম্যাডাম ও আমার বেতন ও ঈদ বোনাস না দিয়ে তালবাহানা শুরু করেন। সবাই জানে আমরা এ কয়েকজন কলেজটির সুশৃঙ্খল বিষয়ে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখি।
কলেজের নাইট গার্ড রফিক ও শাহাদাত হোসেনকে দিয়ে দিনের বেলায় কাজ করান।মাঝেমধ্যে তাদের স্ত্রী সন্তানদের দিয়ে কাজ করান। শিক্ষকদের বলেন ক্লাস না নিলে কি আপনাদের বেতন বন্ধ হয়ে যাবে। এটা কি একজন অধ্যক্ষ করতে বা বলতে পারেন। উনি কলেজে যোগদানের পর পুরোপুরি শিক্ষা শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে। আগে মডেল কলেজ প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থীর উপস্থিতি থাকতো বর্তমানে ৩০ ভাগ শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নেই। বিষয়গুলো প্রশাসনের দৃষ্টিতে দেখার আহবান জানাই।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে সিনিয়র কয়েকজন শিক্ষক ছাড়াও একাধিক শিক্ষার্থী বর্তমান অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।