রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের ভোটাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শিশুর পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন প্রতিবেশী শিশুটিকে (নাতনি) বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। পরে সেখানে শিশুটির ওপর নির্যাতন চালানো হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।
এদিকে ধর্ষক দেলোয়ার হোসেন ধর্ষনের বিষয়ে সত্যতা শিকার করে বলেন, আমি ভূল করেছি।
এ বিষয়ে প্রতিবেশী খোরশেদ আলমসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, ধর্ষক দেলোয়ার ইতিপূর্বে আরও কয়েকটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে। তার হাত থেকে শুধু শিশু নয়, গরু-ছাগল এমনকি কুকুরও রক্ষা পায়নি।
শিশুর মা জানান, ধর্ষক দেলোয়ার মসজিদের বেতনের টাকা আনতে আমাদের ঘরে আসে আমি রান্না ঘরে ছিলাম। আমি বলেছি আমার কাছে টাকা নাই, আপনি চলে যান আমি টাকা আসলে পাঠিয়ে দেবো। উনি যাওয়ার সময় পাশের ঘরে আমার মেয়ে ছিলো, সেখান থেকে মেয়েকে নিয়ে গেছে। যখন দেখলাম আমার মেয়ে নাই তখন আমি মেয়েকে খুজতে বের হই, গিয়ে দেখতে পাই ধর্ষকের ঘর থেকে আমার মেয়ে বের হয়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে আসতেছে।
আমি মেয়েকে জিজ্ঞেস করলাম কি হইছে, মেয়ে বলে দুদু আমাকে বিস্কুট দিবে বলে ঘরে নিয়ে গেছে, সেখানে আমাকে ব্যাথা দিয়েছে।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম জানান, আমি সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে সত্যতা পেয়েছি এবং তাৎক্ষণিক পুলিশকে অবহিত করছি। পুলিশ তাকে আটক করেছে।
তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে এই ধরনের একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানান, ধর্ষণের সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি এবং ধর্ষক আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরো বলেন, প্রতিটি ঘর থেকে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এগুলো সামাজিক অবক্ষয়।