প্রত্যক্ষদর্শী রফিকুল ইসলাম বলেন, সেহেরী খাওয়ার সময় বিকট শব্দের পর আগুন দেখতে পান। পরে দ্রুত আমরা গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রেণের চেষ্টা করি। সাচার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস খবর দেয়া হয়। তবে চালক ও হেলফার ঘটনার পরপরই পালিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা বরিউল ইসলাম ও তরিকুল ইসলাম বলেন, যাত্রীবিহীন বাসটি ভোর রাতে ঈদের যাত্রীদের আনতে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনার শিকার হয়। আল-আরাফাহ বাস বেপরোয়া গতিতে চলাচলের ফলে প্রতিনিয়ত সড়ক দূর্ঘটনা হচ্ছে।
কচুয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, বাসটি প্রায় ৭০ ভাগ পুড়ে গেছে। সড়ক থেকে ছিটকে পড়ে তৈলের ট্যাংকি বিস্ফোরণে আগুন ধরে যায় বলে ধারণা করছেন তিনি।
চালকের বেপরোয়া গতি অথবা ঘুমের কারণে এই দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন বলে দাবী করেন এই স্টেশন কর্মকর্তা।