ঈদের বাজার ধরতে চাঁদপুরে সেমাই তৈরির কারখানাগুলো এখন ব্যস্ত সময় পার করছে। এসব কারখানায় দিনরাত কাজ করছেন শ্রমিকরা। মানসম্মত হওয়ায় লাচ্ছা নামের এই সেমাই বেশ সুস্বাদু। উৎপাদনে যা তদারকি করছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। তুলনামূলকভাবে দরদামও কম। তাই চাঁদপুর ছাড়াও জেলার বাইরে সরবরাহ হচ্ছে উন্নতমানের এই লাচ্ছা সেমাই।
শুধু ভোজনপ্রিয় মানুষই নয়, ঈদ উৎসবে মুখরোচক খাবারের তালিকায় থাকা চাই সেমাই। মিষ্টি জাতীয় এই খাবার শুধু নিজেদের মধ্যে নয়, অতিথি আপ্যায়নেও বেশ জনপ্রিয়। তাই যেকোনো উৎসবের চাইতে পবিত্র ঈদুল ফিতরে এই সেমাই‘র চাহিদা বেড়ে যায়। আর চাঁদপুরেই উৎপাদন হচ্ছে সেই সেমাই। তবে এরমধ্যে লাচ্ছা সেমাই বেশ সুস্বাদু।
ময়দা পানিতে গুলিয়ে মন্ড তৈরি। তারপর আগুনের উত্তাপে কড়াইতে ডালডা দিয়ে ভেজে তৈরি করা হয় লাচ্ছা সেমাই। যা উৎপাদনে ব্যস্ত সময় পার করছেন সেমাই তৈরির কারখানার শ্রমিকরা। এমন কাজে যোগ দিতে পেরে নিজেদের আয়ের পথও তৈরি হয়েছে। তা জানালেন শ্রমিকরা। তারা বলেন, বছরের অন্য সময় ভিন্ন কাজ করলেও মৌসুমের এই সময় বাড়তি আয়ের জন্য সেমাই তৈরির কারখানায় কাজ করছেন। এতে মোটামুটি সংসার চালানোর খরচ উঠে যায়।