ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ শুরুর সময় নির্ধারিত ছিল আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটা; কিন্তু ভোটার ও এজেন্টদের প্রথম এক ঘণ্টা কেটেছে কেন্দ্র খুঁজতেই। এতে নির্ধারিত সময়ে ভোট গ্রহণ শুরু করা যায়নি। দেখা দেয় বিশৃঙ্খলা। চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) আসনের চারটি ভোটকেন্দ্রের চিত্র ছিল এমন।
তখন সকাল সাতটা। চাঁদপুর আক্কাস আলী রেলওয়ে একাডেমি ভোটকেন্দ্রে আসেন সিকান্দার দেওয়ান। বয়স ৭৫ ছুঁয়েছে। সারির একেবারে শুরুতে দাঁড়ান তিনি। এরপর দীর্ঘ অপেক্ষার পালা। সকাল ৭টা ৫২ মিনিটে যখন কথা হয়, তখনো সারিতে দাঁড়ানো তিনি।
সকাল সাড়ে আটটায় সিরাজ মাঝি নামের এক ভোটার বলেন, ‘এক ঘণ্টা ধরে এক কেন্দ্র থেকে আরেক কেন্দ্রে ঘুরছি, আমাকে শুধু ঘোরানো হচ্ছে। আমি কোন কেন্দ্রে ভোট দেব কেউ বলতে পারছে না।’ সিরাজের মতো আরও কয়েকজন ভোটার একই অভিযোগ করেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জানান, স্থানীয় প্রশাসন ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জানান, এবার ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ার সময় কিছুটা এগিয়ে আনার কারণে এ সমস্যা হয়েছে। চারটি কেন্দ্র একই জায়গায় হওয়ায় বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।
এই কেন্দ্রের মোট ভোটার ৩ হাজার ৩৮৬ জন। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদ স্বীকার করেন, নির্ধারিত সময়ে ভোট গ্রহণ শুরু করা যায়নি। অনেক এজেন্ট আসেননি। ভোটারের চাপও বেশি ছিল। এ সময় কেন্দ্রটিতে সেনাবাহিনী, র্যাব ও বিজিবি সদস্যরা ছিলেন।
সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এই কেন্দ্রে আসেন চাঁদপুর–৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহম্মেদ। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় পর মানুষ ভোট দিতে এসেছেন। এ কারণে চাপ কিছুটা বেশি।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান বলেন, চারটি কেন্দ্র একই জায়গায় হওয়ায় সমস্যা হয়েছে। প্রার্থীর এজেন্ট আসতেও দেরি করেছেন। পরে সমস্যা কেটে গেছে। ভোট গ্রহণ চলছে।